২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রমের নির্দেশনা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছে। চলুন, নির্দেশনাগুলো বিস্তারিতভাবে জেনে নিই।

মূল্যায়ন কার্যক্রমের সময়সূচি

জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২-এর আলোকে আগামী ৩ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন নির্ধারিত দিনে শেষ করতে হবে।

শিখন অভিজ্ঞতার পারদর্শিতা

৩ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পাদিত সব বিষয়ের শিখন অভিজ্ঞতার পারদর্শিতার নির্দেশকগুলো নৈপুণ্য অ্যাপে ইনপুট দিতে হবে।

শ্রেণি কার্যক্রম

মূল্যায়ন কার্যক্রম চলাকালীন (৩ থেকে ৩০ জুলাই) কোনো শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

মূল্যায়ন কার্যক্রমের সময়সীমা

প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন কার্যক্রম নির্ধারিত দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। একটি মধ্যবর্তী বিরতি দেয়া যেতে পারে।

মূল্যায়ন কার্যক্রমের উপকরণ

  • হাতে-কলমে কাজের জন্য: সাদা বা রঙিন কাগজ, সাইন পেন, কাঁচি, আঠা বা গাম।
  • লিখিত অংশের জন্য: ১৬ পাতার খাতা, প্রয়োজনে অতিরিক্ত পাতা সরবরাহ।
  • মূল্যায়নপত্র অংশে: সরবরাহ করা মূল্যায়নপত্র থেকে ফটোকপি।

উপকরণের বৈচিত্র্য ও ব্যয়

উপকরণগুলো ব্যয়বহুল না হতে হবে এবং রিসাইকেল, রিউইজ, আপসাইকেল উপকরণ ব্যবহার করতে হবে।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর ভূমিকা

অভিভাবক বা শিক্ষার্থীকে উপকরণ সরবরাহের জন্য কোনো নির্দেশনা দেয়া যাবে না। সীমিত পরিমাণে মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা ফি নেয়া যেতে পারে।

মূল্যায়ন নির্দেশনা ও নৈপুণ্য অ্যাপ

মূল্যায়ন নির্দেশনা মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরুর আগের দিন নৈপুণ্য অ্যাপের প্রতিষ্ঠান ড্যাশবোর্ড (master.noipunno.gov.bd) এবং সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

মূল্যায়ন কার্যক্রম শেষে

ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা শেষে শিক্ষার্থীর অর্জিত পারদর্শিতার রেকর্ডের ভিত্তিতে নৈপুণ্য অ্যাপে পারদর্শিতার নির্দেশক (পিআই) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইনপুট দিতে হবে।

২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রমের সঠিক নির্দেশনা এবং প্রস্তুতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ নির্দেশনাগুলো মেনে চলার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকরভাবে মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।